সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
উজিরপুরে মামলার এক বছর: আসামি গ্রেফতারে পুলিশের বিরুদ্ধে অনীহার অভিযোগ ইউএনও ও সাংবাদিকের যৌথ উদ্যোগে মাথা গোঁজার ঠাঁই ও কর্মসংস্থান পেলেন অসহায় মাহিনুর বাকেরগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলায় যুবকের মৃত্যু বরিশালের জেল খাল গিলে খাচ্ছে বহুতলা ভবন: নেপথ্যে সিটি কর্পোরেশনের ‘দুর্নীতিবাজ’ চক্র! পৌরসভার ময়লা পরিষ্কার করে সংসার চালান বিধবা তাহমিনা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন সম্পন্ন ব্যাংকের উচ্চ পর্যায়ে নারীর অংশ বাড়ছে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে জ্বালানিবাহী ৮ জাহাজ আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি আসামির নারায়ণগঞ্জ ভূমি বারান্দায় প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সহপাঠীর বিরুদ্ধে ছাত্রীদের বিক্ষোভ, তদন্ত কমিটি আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সারাদেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন আবারও হামলা সৌদির আরামকো তেল শোধনাগারে কুষ্টিয়া ইবি শিক্ষিকাকে কুপিয়ে হত্যার পর আত্মহত্যার চেষ্টা
পৌরসভার ময়লা পরিষ্কার করে সংসার চালান বিধবা তাহমিনা

পৌরসভার ময়লা পরিষ্কার করে সংসার চালান বিধবা তাহমিনা

পৌরসভার ময়লা পরিষ্কার করে সংসার চালান বিধবা তাহমিনা
পৌরসভার ময়লা পরিষ্কার করে সংসার চালান বিধবা তাহমিনা

পৌরসভার ময়লা ভ্যান গাড়ি টেনে নিয়ে যাচ্ছেন ভাঙ্গুড়ার তাহমিনা।স্বামীর মৃত্যুর পরে সংসারের দায়িত্ব পড়ে বিধবা তাহমিনার ওপর। এরপর সহায় সম্বলহীন এই নারী নিজে কাজ করে ছেলে ও মেয়েকে বড় করছেন। দিয়েছেন মেয়ের বিয়েও। বছরের পর বছর এভাবেই চলছে তাহমিনার সংগ্রাম।

সংগ্রামী এই নারী পাবনার ভাঙ্গুড়া পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সারুটিয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ধারে ছোট্ট কুঁড়েঘরে বসবাস করেন।

জানা যায়, হতদরিদ্র স্বামী, এক মেয়ে ও শিশু পুত্র সন্তানকে নিয়ে ছিল তাহমিনার সংসার। পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তি বলতে ছিল একমাত্র স্বামী। ভিটেমাটিহীন সংসারের আবাস ছিল সরকারি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ধারে।

হঠাৎ করেই চার-পাঁচ বছর আগে স্বামী সাফাত আলী মারা গেলে খাবারের সংগ্রহে ঘর থেকে বের হন তাহমিনা। কাজ করেন বিভিন্ন জনের বাড়িতে। কিন্তু স্বল্প এ চলছিল না সংসার।

পরে তার মানবেতর জীবন দেখে পৌরসভার সাবেক মেয়র তাহমিনাকে অস্থায়ীভাবে পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মীর কাজ দেন।

এরপর প্রতিদিন ভোর থেকেই সকাল পর্যন্ত তাহমিনা পৌরসভার  সড়কের সড়কে ঘুরে ময়লা পরিষ্কারের কাজ করেন। এসব ময়লা ভ্যান গাড়িতে তুলে তিনি নিজেই গন্তব্যে নিয়ে ফেলেন। এখন তাহমিনার সংসারে খাবারের কষ্ট নেই। নিজের উপার্জন দিয়ে মেয়ের বিয়েও দিয়েছেন।

তাহমিনা বলেন, স্বামী মারা যাওয়ার পর অনেক কষ্টে ছিলাম।এরপর পৌরসভায় কাজ পাই। এখন কোনোমতে জীবন চলছে।

আরো পড়ুন

 

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © অনুসন্ধান24 -২০১৯